মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench) পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম মহাসাগরীয় খাদ, যা প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম অংশে মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের কাছে অবস্থিত। এটি প্রায় ১১,০৩৪ মিটার (৩৬,২০১ ফুট) গভীর, যা মাউন্ট এভারেস্টকে সম্পূর্ণ নিমজ্জিত করলেও উপরে প্রায় ২ কিলোমিটার জায়গা থেকে যেত।
অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত।
গভীরতম স্থান: 'চ্যালেঞ্জার ডিপ' (Challenger Deep) হল মারিয়ানা ট্রেঞ্চের সবচেয়ে গভীর স্থান।
উৎপত্তি: এটি দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে গঠিত, যেখানে প্রশান্ত প্লেট ফিলিপাইন প্লেটের নিচে সরে গেছে।
চাপ: এখানে পানির চাপ ভূমির বায়ুমণ্ডলীয় চাপের তুলনায় প্রায় ১,০০০ গুণ বেশি।
জীববৈচিত্র্য: এই গভীর খাদে অন্ধকারে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রজাতির অদ্ভুত সামুদ্রিক প্রাণী পাওয়া যায়, যেমন অ্যাম্পিফডস, অ্যাঙ্গলার ফিশ, এবং দৈত্যাকার অ্যামিবা।
গবেষণা ও অভিযান:
১৯৬০ সালে প্রথমবারের মতো জ্যাক পিকার্ড ও ডন ওয়ালশ নামক গবেষকরা 'ট্রায়েস্ট' নামক ডুবোযানে করে চ্যালেঞ্জার ডিপে পৌঁছান।
২০১২ সালে বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা জেমস ক্যামেরন একক অভিযানে গভীরতম স্থানে পৌঁছে ভিডিও ধারণ করেন।
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ এখনো রহস্যময় এবং গবেষকদের কাছে আকর্ষণীয় একটি স্থান। বিজ্ঞানীরা এখান থেকে নতুন নতুন আবিষ্কার করে চলেছেন, যা গভীর সমুদ্রের জীবন ও পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক গতিবিধি সম্পর্কে বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
গাজার বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেকেই স্মরণ করেছেন ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের ইতিহাস। যে যুদ্ধে ইসরায়েলের যমদূত হয়ে হাজির হয়েছিলেন বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর পাইলট সাইফুল আজম সুজা। সাইফুল আজম পৃথিবীর ইতিহাসের একমাত্র যোদ্ধা, যিনি একক ব্যক্তি হিসেবে সর্বোচ্চ সংখ্যক ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন। একাই নাকানিচুবানি খাইয়েছিলেন বর্বর ইসরায়েলি সেনাদের। এমন কৃতিত্বের জন্য বাংলাদেশের এই বৈমানিককে সেই সময় ‘নাত আল-সুজাহ’ সামরিক সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। এই বীর যোদ্ধার সেই গৌরবময় ইতিহাস হয়তো অনেকেরই অজানা। সাইফুল আজম সুজা ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের বিমান বাহিনীতে যোগ দেন। এর আগে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত থাকাকালে ১৯৬৭ সালের জুন মাসে তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হয়। সেই যুদ্ধে অংশ নিতে ইরাকি বিমানবাহিনীতে বদলি হন সাইফুল আজম সুজা। পশ্চিম ইরাকে অবস্থান নিয়ে ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন তিনি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র ৫ দিনের মাথায় গাজা ও সিনাইয়ের কর্তৃত্ব নিয়েছিল ইসরায়েল। জুনের ৫ তারিখে সিরীয় বিমানবাহিনীর দুই-তৃতীয়াংশ শক্তি ধ্বংস করে দেয় ইসরায়েলের বিমান সেনারা। তেম...

Comments
Post a Comment